সর্বশেষ আপডেট :
কলাপাড়ায় আ.লীগ কার্যালয় এখন বিএনপির নেত্রীর ‘গুদামঘর’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় টিকা সংকট ও হাম সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ, স্বাস্থ্যখাতে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের অগ্রযাত্রা: তৎকালীন সংসদে মহিববুর রহমানের জোরালো দাবি ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করছি” — কালুরঘাটে মেজর জিয়ার আহ্বান দেশে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের মজুত এখন গড়ে মাত্র ১০ দিনের—যা সম্ভাব্য বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে “খুব দ্রুতই গণবিস্ফোরণ ঘটাবে আওয়ামী লীগ”— নানক যুক্তরাষ্ট্রের ‘মহাপ্রহর’: বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য বন্ধ ভিসার দরজা! চমকে দেওয়া ঘোষণা, স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কায় হাজারো পরিবার তৃণমূলকে বিপদে রেখে জাঁকজমকপূর্ণ ঈদ উদযাপন: কেন্দ্রীয়  যুবলীগ নেতা সোহাগকে ঘিরে বিতর্ক তৃণমূলকে বিপদে রেখে জাঁকজমকপূর্ণ ঈদ উদযাপন: কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগকে ঘিরে বিতর্ক
২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণা

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণা

ঢাকা অফিস :

আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস—বাঙালির মুক্তির সূর্যোদয়ের দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী শুরু করে বর্বরতম গণহত্যা অভিযান অপারেশন সার্চলাইট। ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা, রক্তে রঞ্জিত হয় ঢাকার রাজপথ, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আবাসিক অঞ্চল।

এই ভয়াল রাতেই, মৃত্যুকে তুচ্ছ করে ইতিহাসের অমর সাহসিকতার নজির স্থাপন করেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান।

গ্রেপ্তার হওয়ার ঠিক আগে, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি ঘোষণা দেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

তার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় বাঙালির মুক্তির চূড়ান্ত আহ্বান—
“ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন…”

এই ঘোষণা শুধু একটি বার্তা ছিল না—এটি ছিল একটি জাতির জন্মঘোষণা, একটি দাসত্ববিরোধী চূড়ান্ত বিদ্রোহের ডাক। বঙ্গবন্ধুর সেই আহ্বান দ্রুত পৌঁছে যায় ইপিআর-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং পরে ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বময়।

তিনি শুধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেননি—তিনি জাতিকে লড়াইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিরোধের সাহস জুগিয়েছেন, বিজয়ের পথ দেখিয়েছেন।

“যে যেখানে আছ, যাহার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও…”

এই আহ্বানেই জেগে ওঠে পুরো জাতি। কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা—সবাই পরিণত হয় মুক্তিযোদ্ধায়। শুরু হয় দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, যার পরিণতিতে জন্ম নেয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধুর সেই ঘোষণা আজও শুধু ইতিহাস নয়—এটি আমাদের সাহস, আমাদের প্রেরণা, আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি।

Please Share This Post in Your Social Media




© All rights reserved
কারিগরি সহায়তা: Amader Kotha